/anm-bengali/media/media_files/2025/07/02/kash-patel-2025-07-02-08-06-50.jpg)
নিজস্ব সংবাদদাতা: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (FBI) সম্প্রতি বহুল বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এজেন্সির অভ্যন্তরীণ কর্মীদের ওপর পলিগ্রাফ (Lie Detector) টেস্টের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। তবে শুধু জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে নয়, বরং কর্মীদের ‘আন্তরিকতা’ ও ‘আনুগত্য’ যাচাই করতেই এই টেস্ট নেওয়া হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, এই লাই-ডিটেক্টর পরীক্ষায় অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকেও অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞেস করা হয়েছে, তারা কি কখনো FBI পরিচালক কাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে কোনও নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন বা করেননি। বিষয়টি জানাজানি হতেই সংস্থার ভেতর আতঙ্ক ও অস্বস্তি ছড়িয়েছে, কারণ একে অনেকেই ‘ভয় দেখানো’ এবং ‘মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে FBI-তে এই ধরণের পরিবর্তনের সূচনা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিযুক্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাশ প্যাটেল এবং ড্যান বংগিনো সংস্থার অভ্যন্তরীণ গঠন ও নীতিনির্ধারণে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। তাদের নেতৃত্বেই অনেক অভিজ্ঞ ও সিনিয়র কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বা একপ্রকার কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে।
এই পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, FBI-র মতো একটি নিরপেক্ষ এবং পেশাদার প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক আনুগত্য যাচাই করার জন্য পলিগ্রাফ টেস্ট চালু করা গণতন্ত্র ও মত প্রকাশের অধিকারের পরিপন্থী।
বিশ্লেষকদের মতে, কাশ প্যাটেলের অধীনে FBI এখন এমন এক পথে হাঁটছে, যেখানে ভিন্নমত বা প্রশ্ন তোলার অধিকার একপ্রকার নিষিদ্ধ। পলিগ্রাফ টেস্ট এখন যেন একটি ‘ভয় প্রদর্শনের অস্ত্র’ হয়ে উঠেছে।