ফোনেই মোহনবাগানের অনুশীলন করাচ্ছেন নয়া কোচ

সদ্য মোহনবাগানের দায়িত্ব নিয়েছেন হাবাস। দায়িত্ব নিলেও এখনও ভারতে আসতে পারেননি তিনি। ভিসা সমস্যায় দেশেই রয়েছেন।

author-image
Adrita
New Update
f

ফাইল ছবি

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ চলতি আইএসএলের শুরুর দিকে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। তবে পরেরদিকে পরপর তিনটি ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলের অনেক তলায় চলে যায় তারা। যার জেরে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় জুয়ান ফেরান্দোকে। এমনকী আইএসএল চ্যাম্পিয়ন কোচকে গো ব্যাক স্লোগানও শুনতে হয়। পরিস্থিতি যে খুব একটা ভালো নয়, তা ভালো ভাবেই বুঝতে পারেন ফেরান্দো। তাই বাধ্য হয়েই হেড কোচ পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি এবং তার পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয় অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাসের কাঁধে। যদিও ফেরান্দোর পদত্যাগ নিয়ে অনেক জলঘোলা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই সবই জল্পনা মধ্যেই রয়েছে।

তবে বর্তমানে আইএসএল জয়ী এই স্প্যানিশ কোচ এখনও ভারতে এসে পৌঁছতে পারেননি। ভিসা সমস্যায় যার জন্য নিজের দেশই রয়েছেন। আর সেখান থেকেই তিনি অনুশীলনে করাচ্ছেন সবুজ-মেরুন শিবিরকে। ফোনেই তিনি চালু করে দিয়েছেন কোচিং দেওয়া। সবরকম ভাবে তিনি প্রস্তুত করছেন দলকে এই পরিস্থিতি থেকে টেনে তুলতে। আর বেশি সময় নেই, সেই কারণেই জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন তিনি।

সামনেই সুপার কাপ। আর দুদিন বাদেই মাঠে নামবে মোহনবাগান। মঙ্গলবার, অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর, তারা মুখোমুখি হবে শ্রীনিধি ডেকানের। কিন্তু তার আগে আইএসএলে লাগাতার ব্যর্থতা চাপে রেখেছে বাগান শিবিরকে। সম্প্রতি মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের হেড কোচ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর পরিবর্তে দায়িত্বে এসেছেন আইএসএল জয়ী স্প্যানিশ কোচ অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাস। তবে ভিসার সমস্যার জেরে ভারতে আসতে পারছেন না তিনি। যদিও দল মরিয়া তাকে দেশে আনার জন্য। কিন্তু যেহেতু এই মুহূর্তে তার পক্ষে আশা চাপের সেই কারণে তিনি ফোনেই অনুশীলন দিচ্ছেন দলকে। আপাতত ক্লোজডোর অনুশীলন করেছে গোটা দল। প্রসঙ্গত, যতদিন না পর্যন্ত হাবাস ভারতে পা রাখছেন, ততদিন পর্যন্ত দলের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে দল গঠন নিয়ে চাপের মধ্যে যাচ্ছে মোহনবাগান। আসন্ন 'এএফসি এশিয়ান কাপ'এর কথা মাথায় রেখেই সুপার কাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সবকটি দল। সময় আর নেই বেশি এবং তার মধ্যেই দলের ফুটবলারদের চোটও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  সুতরাং সব মিলিয়েই এই মুহূর্তে জলে গেলে কুমির এবং ডাঙ্গায় গেলে বাঘের মত পরিস্থিতি মোহনবাগানের।