ভাষার ভিত্তিতে কাউকে আটক করা যাবে না! বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে এবার সুপ্রিম কোর্ট
“ভারত হল জাপানের ব্যবসার জন্য গ্লোবাল সাউথে স্প্রিংবোর্ড”—টোকিও থেকে বার্তা মোদীর
রাহুল-প্রিয়াঙ্কার পোস্টারের সামনে মোদীকে গালিগালাজ, গ্রেফতার একজন
বিধানসভা ভোটের আগে ভোট ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন, নতুন বুথের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হতে পারে
“যতদিন সূর্য চাঁদ থাকবে, মোদীর নাম থাকবে”—টোকিও কাঁপাল স্লোগান
নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বৃষ্টি! পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চরম সতর্কতা
জোর করে খাওয়ানো হল অ্য়াসিড! ১৭ দিন পর পণের জন্য মর্মান্তিক পরিণতি তরুণীর
ভোরের বৃষ্টিতে অচল দিল্লি! ১৪৬ ফ্লাইট দেরি, রেড অ্যালার্ট জারি নয়ডা-গাজিয়াবাদে
উত্তরাখণ্ডে ভয়ঙ্কর মেঘভাঙা! রুদ্রপ্রয়াগ-চামোলিতে একাধিক পরিবার চাপা, নদী ফুলেফেঁপে বন্যার আশঙ্কা

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে হলে প্রথম শর্ত—অশিক্ষিত হতে হবে, দ্বিতীয় শর্ত—চরম মিথ্যাবাদী হতে হবে- ট্যুইট করে শোরগোল ফেলে দিলেন

কি ট্যুইট করা হল?

author-image
Aniket
New Update
Mamata-at-July-TMC-Rally

File Picture

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলায় সাফল্যের সঙ্গে ১৪ বছর রাজত্ব করছে তৃণমূল সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতার নেতৃত্বে বাংলার মানুষের সহযোগিতা পেয়ে আসছে তৃণমূল। তবে এবার তৃণমূলকে নিয়ে ফের চরমতম কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

z

তিনি ট্যুইট করে বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে হলে প্রথম শর্ত—অশিক্ষিত হতে হবে, দ্বিতীয় শর্ত—চরম মিথ্যাবাদী হতে হবে। না হলে ওই দলে ঠাঁই পাওয়া অসম্ভব।

তাদের নতুন মুখপাত্রকে দেখে ভেবেছিলাম অন্তত পুরনোদের মতো তো হবেন না—একটু পড়াশোনা জানা, একটু সভ্যতা থাকবে। কিন্তু শিক্ষিত হয়েও যদি অশিক্ষিতদের মতোই মিথ্যাচার করেন, তাহলে প্রমাণ হয়ে যায়—তৃণমূল মানেই মিথ্যার প্ল্যাটফর্ম।

সম্প্রতি তিনি টেলিভিশনে বললেন, “প্রতিরক্ষা খাতে ভারত সরকার বাজেট কমিয়ে দিয়েছে!” GDP-এর শতকরা হার দিয়ে বোঝাতে চাইলেন, কিন্তু তিনি বোধহয় ভুলে গেছেন যে ভারতের অর্থনীতি পশ্চিমবঙ্গের মতো পিছনের দিকে হাঁটে না। ভারতের GDP যত বাড়ছে, তত বাড়ছে প্রতিরক্ষা বাজেটও। চোখ মেলে চেয়ে দেখলেই বোঝা যায়—

বছরভিত্তিক প্রতিরক্ষা বরাদ্দ (₹ টাকায়):

২০২১-২২: ₹4,78,196 কোটি

২০২২-২৩: ₹5,25,166 কোটি

২০২৩-২৪: ₹5,93,538 কোটি

২০২৪-২৫: ₹6,21,940 কোটি

২০২৫-২৬: ₹6,81,210 কোটি

যে কোনও শিক্ষিত মানুষ এই পরিসংখ্যান দেখলেই বুঝতে পারবে—বাজেট কমানো নয়, ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

এরপর তিনি বললেন—“মোদী সরকার আদানি-আম্বানিদের ঋণ মুকুব করে দিয়েছে!”
তিনি জানেন “write-off” আর “loan waiver” (ঋণ মুকুব) এক নয়, কিন্তু সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিলেন।
সত্য বললে তৃণমূলে টিকে থাকা যায় না—এটাই ওদের চরিত্র।

তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, অথচ ভুলেও কিছু বলেন না—

তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন সিমি-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে।

তাঁর নেত্রীর মদতেই জামাত ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ঘাঁটি হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ।

ঠিক কাশ্মীরের ছায়ায়, মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে—এই নিয়ে তার একটিও শব্দ নেই!

তৃণমূল মানেই পাকিস্তানি ভাবধারা, ইসলামি মৌলবাদ, মিথ্যাচার ও দেশদ্রোহিতার রংমঞ্চ।
এখন সময় এসেছে—এই মুখোশধারীদের মুখোশ একে একে খুলে দেওয়ার।"

তরুণজ্যোতি তিওয়ারির ট্যুইট ঘিরে শোরগোল শুরু হয়েছে।