/anm-bengali/media/media_files/4Hbq5n2zjlBmA8BF5gtN.jpg)
ফাইল ছবি
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আরজি কর কাণ্ডে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। তদন্ত করতে গিয়ে একের পর এক চমকে দেওয়ার মত তথ্য সামনে আসছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রিপেইড সিম কার্ড থেকে বেশ কিছু বিদেশী নম্বরে ফোন করেছিলেন। সিবিআইয়ের আধিকারিকরা তদন্ত করতে গিয়ে এই সকল নয়া তথ্য জানতে পেরেছে বলে খবর।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, ঘটনার দিনও অর্থাৎ ৯ অগস্ট সকাল ১০টার পর থেকে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক ছাড়াও, হাসপাতালের বেশ কয়েকজন আধিকারিকরা বেশ কয়েকবার বিদেশী সিমে ফোন করে বার্তালাপ করেন। এবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসাররা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে যে ওই বিদেশী সিমের গ্রাহক কারা ? তবে তাদের অনুমান যে, ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে, ওই নম্বরের গ্রাহকের সাথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা হয়ে থাকতে পারে। তাদের আরও অনুমান যে অপরাধের পরে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা বা চিকিৎসকের শেষকৃত্যে তড়িঘড়ি করার নেপথ্যে জড়িয়ে রয়েছেন সেই বিদেশী সিমের গ্রাহক। অর্থাৎ, ওই বিদেশী সিমের গ্রাহক ' পরামর্শদাতা ' হিসেবে কাজ করেছে। তার খোঁজে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বলা বাহুল্য যে, এই মুহুূর্তে আরজি করের ঘটনায় এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হেফাজতে আছেন হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তার সাথেই সিবিআইয়ের হেফাজতে আছেন আরও তিনজন। আরজি কর কাণ্ডের দৌলতে এবার সামনে এসেছে হাসপাতালের মধ্যে ঘটে চলা নানা দুর্নীতির তথ্য। বেআইনি ওষুধ বিক্রি থেকে শুরু করে মর্গে শবদেহের বেআইনি লেনদেনসহ একাধিক আর্থিক দুর্নীতির তথ্য।
এ ক্ষেত্রে আরও উল্লেখ্য যে, রাজ্য বিধানসভায় কয়েকদিন আগেই পেশ হয়েছে ধর্ষণ বিরোধী বিল। এই বিলকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলগুলিই। এবার অপেক্ষা শুধুই যে, কবে আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার কবে দোষীদের প্রকৃত শাস্তি হয় তা দেখার।
দেশ জুড়ে আজ আরজি করে তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এই নক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ থেকে নেতামন্ত্রী সকলেই ধিক্কার জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বলা বাহুল্য যে, এই ঘটনা সারা দেশ তো বটেই বিদেশে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের মনেও ক্ষোভের আগুন জ্বেলে দিয়েছে।