এবার NDA-তে চিরাগ পাসোয়ান?

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, চিরাগ পাসওয়ানের এনডিএ-তে যোগ দিতে পারেন। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এবং বিরোধীদের জোট নিয়ে চোখ রাঙানির মাঝেই আজ রবিবার পাটনায় লোক জনশক্তি পার্টির সভাপতির সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই।

author-image
SWETA MITRA
New Update
chirag nda.jpg

 

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ এবার NDA-তে যোগ দিচ্ছেন চিরাগ পাসোয়ান? ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এমনই গুজব উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। আজ রবিবার পাটনায় লোক জনশক্তি পার্টির (এলজেপি) সভাপতি চিরাগ পাসওয়ানের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, চিরাগ পাসওয়ানের এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার তারিখ এই বৈঠকেই ঠিক হয়ে থাকতে পারে। এর ফলে চিরাগ পাসওয়ানের মোদী মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে নিত্যানন্দ রাই এই বৈঠক সম্পর্কে বলেন, ‘চিরাগ পাসওয়ানের বাড়ি আমাদের পুরনো বাড়ি। এখানে আমাদের একটি পুরানো সম্পর্ক রয়েছে এবং সবসময় থাকবে। আমরা যখন মিলিত হই, এটি একটি ভাল জিনিস, এটি আজও ঘটেছে।‘

 

নিত্যানন্দ রাই বলেন, ‘বিজেপি এবং রাম বিলাস তাদের সেবা দিয়ে দেশের কল্যাণ করেছেন। চিরাগের সাথে আমাদের সম্পর্ক কখনই খারাপ হয়নি। অনেকেই আমাদের ব্যাপারে গুজব ছড়িয়েছিল।  আসলে বিরোধীদের মহাজোট প্রধানমন্ত্রীর কাজ দেখে নার্ভাস হয়ে পড়েছে। মহাজোটে নার্ভাসনেসের কারণে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। বিরোধী নেতারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দেশের মানুষ ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।‘

 

এদিকে আজকের বৈঠক প্রসঙ্গে চিরাগ পাসোয়ান জানান, ‘২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং রাজ্যে নির্বাচনের জন্য জোট গঠনের বিষয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দলের নেতারা আজ আমাকে অনুমতি দিয়েছেন।‘

 

এদিকে আরজেডি প্রধান ও বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে নিত্যানন্দ রাই বলেন, ‘গণতন্ত্রে জনগণের ক্ষমতা থাকে। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত অপরাধীকরণকে উৎসাহিত করে, জনগণ তাদের পছন্দ করে না। বিরোধী দলগুলো শুধু দুর্নীতির জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। জনগণের স্বার্থে মোটেই তাঁরা এক হয়নি।‘ তেজস্বী যাদবের চার্জশিট প্রসঙ্গে নিত্যানন্দ রাই বলেন, যারা দুর্নীতির মতো অপরাধ করে তাদের বিরুদ্ধে যদি আইন ব্যবস্থা নেয়, তাহলে তাতে ভুল কোথায়?’

 

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিহারে জঙ্গলরাজের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিহারে অপরাধমূলক ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০ মাসের সরকারের আমলে পাঁচ হাজারেরও বেশি অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেছে। বিহারে সুশাসনের কথা বলা হচ্ছে, এটা কি সুশাসনের নিয়ম? বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারজি তেজস্বীকে নিয়ে অনেক কিছু ভাবছেন। কিন্তু বিহারের মানুষ ইতিমধ্যে এই সরকারের বিরুদ্ধে অনেক কিছুই ভেবে নিয়েছে। বিহারের মানুষ ঠিকই করে নিয়েছেন যে নীতীশ কুমারকে আবার ক্ষমতায় ফেরাবেন না তাঁরা।‘