/anm-bengali/media/media_files/2025/11/09/pakistan-terrorist-group-2025-11-09-23-20-45.png)
নিজস্ব সংবাদদাতা: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ফের চরম উত্তেজনা। ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (TLP)-এর সমর্থকদের উপর পুলিশের রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর এবার ওই সংগঠনই ঘোষণা করেছে নতুন এক সশস্ত্র জঙ্গি বাহিনী গঠনের। তারা বলছে, এই বাহিনী ‘মুরিদকে গণহত্যার বদলা নেবে’।
গত ১৩ অক্টোবর মুরিদকে এলাকায় পুলিশের ‘গ্র্যান্ড অপারেশন’-এর সময় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। গাজা যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকার শান্তি পরিকল্পনার প্রতিবাদে ইসলামাবাদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছিল TLP। কিন্তু পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রচণ্ড গুলিবর্ষণ ও টিয়ারগ্যাস হামলায় মৃত্যু হয় ১৩ জনের, আহত হন ১৫০ জনেরও বেশি।
এর পরেই ২৩ অক্টোবর পাকিস্তান সরকার TLP-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, অভিযোগ তোলে ‘সহিংস ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত’ থাকার। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার মাত্র এক মাস পেরোতে না পেরোতেই নতুন ভয় তৈরি হয়েছে ইসলামাবাদের বুকে।
সূত্রের খবর, হুসবাইন রিজভি নামের এক নেতা নেতৃত্ব দিচ্ছেন নতুন গঠিত TLP জঙ্গি শাখার। তাঁর দাবি, “মুরিদকে পুলিশ আমাদের ভাইদের অ্যাসিড ছুঁড়ে পুড়িয়ে মেরেছে, আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে। এবার আমরা চুপ থাকব না।”
/filters:format(webp)/anm-bengali/media/media_files/2025/08/02/pakistan-2025-08-02-11-42-48.jpg)
প্রথম থেকেই ধর্মীয় উন্মাদনা ও ব্লাসফেমি-এর অভিযোগে সহিংসতার ইতিহাস রয়েছে TLP-র। একাধিকবার তারা সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এবার তারা সরাসরি পাকিস্তান সেনা ও পাঞ্জাব পুলিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুরিদকের সংঘর্ষ পাকিস্তানে ধর্মীয় চরমপন্থাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, এই নতুন জঙ্গি শাখা আগামী দিনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ইতিমধ্যে ইসলামাবাদ থেকে লাহোর পর্যন্ত জারি হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। সীমান্তবর্তী এলাকা গুলিতেও চলছে কড়া নজরদারি। প্রশাসন বলছে, যারা আইন ভাঙবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিন্তু TLP-র ঘনিষ্ঠ সূত্রে ইঙ্গিত— এই লড়াই কেবল শুরু হয়েছে।
/anm-bengali/media/agency_attachments/IpyOoxt2orL626OA8Tlc.png)
Follow Us