নিজস্ব সংবাদদাতা: মাওবাদী দুনিয়ার এক কুখ্যাত এবং ভয়াবহ নাম ছিল মাদভি হিদমা। বিভিন্ন রাজ্যে নকশাল হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাঁকে বহুদিন ধরেই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী খুঁজছিল। অবশেষে খবর মিলল, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছে এই মোস্ট-ওয়ান্টেড কমান্ডার। আর এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও BJP–র নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেইন এই ঘটনার পর পরই সরকারের কড়া অবস্থানের প্রশংসা করেন। তাঁর ভাষায়, “বহুদিন ধরে হিদমা মানুষকে ভয় দেখিয়ে এসেছে। তাকে শেষ করতে পেরেছে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী— এজন্য তাদের অভিনন্দন জানাই। নকশালবাদ ধীরে ধীরে মরছে। অনেকে মারা যাচ্ছে, অনেকে আত্মসমর্পণ করছে। আমাদের সরকারের লক্ষ্য একটাই— নকশালবাদের চিরসমাধি। হিদমার মৃত্যু সেই প্রচেষ্টারই অঙ্গ।”
/filters:format(webp)/anm-bengali/media/media_files/2025/11/18/naxal-leader-a-2025-11-18-21-39-46.png)
শাহনওয়াজের এই মন্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে কেন্দ্র নকশাল মোকাবিলায় কড়া নীতি নিয়েই এগোতে চাইছে। সরকার মনে করছে, দেশের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা নকশাল নেটওয়ার্ক ভাঙতে এই ধরনের অপারেশনই সবচেয়ে কার্যকর। মাওবাদী শিবিরে হিদমার মৃত্যু যে বড় ধাক্কা, তা বিশেষজ্ঞ মহলও মনে করছে। বহু বছর ধরে সে নকশাল আন্দোলনের অস্ত্র ও কৌশলগত লিডারশিপের মূল ভরসা ছিল। তার পতনে নেটওয়ার্কে বড় ফাটল ধরবে বলেই ধারণা।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান এবং গোয়েন্দা তথ্যের উপর জোর বাড়ায় মাওবাদী কার্যকলাপ গত কয়েক বছরেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। হিদমার মৃত্যুর পর সেই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই হিদমা encounter নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। BJP–র বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট, সন্ত্রাস, নকশাল— কোনও দিকেই নরম হতে রাজি নয় সরকার।
মাওবাদী কমান্ডার হিদমা নিহত! শাহনওয়াজের বিস্ফোরক মন্তব্য— “নকশালবাদের মৃত্যু শুরু”
অভিযানে নিহত কুখ্যাত মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিদমা। বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হুসেইন বলেন— “নকশালবাদ মরছে, সরকার নির্মূল করতেই চায়।” উত্তেজনা ছড়াল ঘটনায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা: মাওবাদী দুনিয়ার এক কুখ্যাত এবং ভয়াবহ নাম ছিল মাদভি হিদমা। বিভিন্ন রাজ্যে নকশাল হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাঁকে বহুদিন ধরেই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী খুঁজছিল। অবশেষে খবর মিলল, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছে এই মোস্ট-ওয়ান্টেড কমান্ডার। আর এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও BJP–র নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেইন এই ঘটনার পর পরই সরকারের কড়া অবস্থানের প্রশংসা করেন। তাঁর ভাষায়, “বহুদিন ধরে হিদমা মানুষকে ভয় দেখিয়ে এসেছে। তাকে শেষ করতে পেরেছে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী— এজন্য তাদের অভিনন্দন জানাই। নকশালবাদ ধীরে ধীরে মরছে। অনেকে মারা যাচ্ছে, অনেকে আত্মসমর্পণ করছে। আমাদের সরকারের লক্ষ্য একটাই— নকশালবাদের চিরসমাধি। হিদমার মৃত্যু সেই প্রচেষ্টারই অঙ্গ।”
শাহনওয়াজের এই মন্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে কেন্দ্র নকশাল মোকাবিলায় কড়া নীতি নিয়েই এগোতে চাইছে। সরকার মনে করছে, দেশের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা নকশাল নেটওয়ার্ক ভাঙতে এই ধরনের অপারেশনই সবচেয়ে কার্যকর। মাওবাদী শিবিরে হিদমার মৃত্যু যে বড় ধাক্কা, তা বিশেষজ্ঞ মহলও মনে করছে। বহু বছর ধরে সে নকশাল আন্দোলনের অস্ত্র ও কৌশলগত লিডারশিপের মূল ভরসা ছিল। তার পতনে নেটওয়ার্কে বড় ফাটল ধরবে বলেই ধারণা।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান এবং গোয়েন্দা তথ্যের উপর জোর বাড়ায় মাওবাদী কার্যকলাপ গত কয়েক বছরেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। হিদমার মৃত্যুর পর সেই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।
দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই হিদমা encounter নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। BJP–র বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট, সন্ত্রাস, নকশাল— কোনও দিকেই নরম হতে রাজি নয় সরকার।